ইন্ডিয়ান ভিসা কবে চালু হবে ২০২২ || ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা কবে চালু হবে

ইন্ডিয়ান ভিসা কবে চালু হবে ২০২২


ইন্ডিয়ান ভিসা চেক করার নিয়ম

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন তাদের চ্যান্সেরি প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার ৭২তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করেছে।  


ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী দিবসটি উপযাপনে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতির বাণী পড়ে শোনান দোরাইস্বামী। 


এ সময় করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিগগিরই টুরিস্ট ভিসা চালু হবে বলে জানান তিনি।  


মঙ্গলবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে চ্যান্সেরি প্রাঙ্গণে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আমন্ত্রিত ভারতীয় নাগরিকসহ বিভিন্ন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। 

  

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি ভারতকে সারা বিশ্বের ‘ফার্মাসিউটিক্যাল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চায় ভারত। 


প্রতিবেশী দেশগুলোর মানুষের করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যই ভারত শুভেচ্ছা হিসেবে ভ্যাকসিন উপহার দিয়েছে। পর্যটন ভিসা দেয়ার জন্য ভারত প্রস্তুত জানিয়ে শিগগিরই তা আবারও দেয়া হবে বলে জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।


ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, এখন বাংলাদেশ ও ভারতে কোভিড-১৯ টিকা দেয়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা করছেন তারা। আশা করি শিগগিরই সম্ভব হবে। 


বাংলাদেশ ও ভারত টিকা দেয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের আস্থা আরও বাড়বে। তারা বিশ্বাস করেন কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে এগিয়ে যাবে এবং তারা তাদের প্রতিবেশীদের বিশেষত বাংলাদেশের সাথে যতটা সম্ভব নিবিড়ভাবে  কাজ করতে চায়। 


তিনি বলেন, এ কারণেই উপহার এবং বাণিজ্যিক উভয়ভাবেই ভারত থেকে ভ্যাকসিন পাওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। 


বাংলাদেশ খুব দ্রুতই টিকাদান শুরু হবে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুসের বরাত দিয়ে বলেন, এ রোগ থেকে কেউই একা রক্ষা পেতে পারবে না। 


উল্লেখ্য, আজ ভারতের ৭২তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ১৯৫০ সালে আজকের এই দিনে সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। তারপর থেকে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ধুমধাম করে পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস। 


এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সব অনুষ্ঠানেই কিছুটা কাটছাঁট আনা হয়েছে। দিল্লিতে ছোট করা হয়েছে কুচকাওয়াজের দৈর্ঘ্যপথ। অন্যবারের মতো এবারও বিজয় চক থেকে শুরু হয়েছে কুচকাওয়াজ। তবে লাল কেল্লার পরিবর্তে কুচকাওয়াজ শেষ হয়েছে ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে।


এদিকে ভারতের জাতীয় রাজধানী নয়াদিল্লির মূলকেন্দ্র রাজপথে মঙ্গলবার দেশটির প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশি তিন বাহিনীর কন্টিনজেন্ট। 


পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর স্মরণে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের প্রথম ১০ সারিতে ছিলেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ১২২ সদস্য।

 

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহতাশিম হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন বাহিনীর কন্টিনজেন্টের প্রথম ছয় সারিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পরের দুই সারিতে নৌবাহিনী ও শেষের দুই সারিতে বিমানবাহিনী ছিল। 


উল্লেখ্য,  ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে ভারতের সংবিধান কার্যকরী হয়েছিল।


ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা কবে চালু হবে

ঢাকা: ভারত সরকার থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করলেও এখনই কোনো দেশের নাগরিক সড়কপথে ভারতে যেতে পারবেন না। আপাতত আকাশ ও সমুদ্রপথে ভারতে যেতে পারবেন।


তবে ধীরে ধীরে সড়ক পথেও প্রবেশের দুয়ার খুলবে।

ভারতের কূটনৈতিক সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ার কারণে ভারত দীর্ঘ দিন ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ রাখে। তবে ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ থাকলেও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে বিশেষ করে মেডিক্যাল, শিক্ষা, ব্যবসা ইত্যাদি ভিসা চালু ছিল। তবে ৭ সেপ্টেম্বর ভারত সরকার আবার ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দেয়।


ভারত সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা আবার চালু হচ্ছে। তবে শুধুমাত্র গ্রুপ ট্যুরিস্টরা যারা চার্টার্ড ফ্লাইট ও এয়ার বাবলে যাবেন তারা এই সুবিধা পাবেন। আর ১৫ নভেম্বর থেকে যে কেউ ব্যক্তিগত ভাবে ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রেও তাকে বিমানে ভ্রমণ করতে হবে।


ভিসার মেয়াদ থাকলেও আবার ভিসা নিতে হবে


ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে আগে কারো ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ থাকলেও নতুন করে আবার ভিসা নিতে হবে। আর এখনই কেউ দীর্ঘ মেয়াদি ভিসা পাবেন না। এখন যে ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়া হবে, তার মেয়াদ হবে ১ মাস।


১২ অক্টোবর থেকে ভিসার আবেদন নেওয়া হবে


ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিকদের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন ১২ অক্টোবর থেকে নেওয়া হবে। বাংলাদেশের নাগরিকরা আগের মতোই ভিসার আবেদন করতে পারবেন।


৫ লাখ ট্যুরিস্ট ভিসা ফ্রি


ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এর আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন করোনার পর প্রথম দফায় ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হলে প্রথম যে ৫ লাখ বিদেশি পর্যটক ভারতে আসবেন, তাদের কাছ থেকে কোনো ভিসা ফি নেওয়া হবে না। ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই নিয়ম চালু থাকবে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।


৬ মাসে তিন লাখ ভিসা

করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেও বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা বন্ধ হয়নি। শুধুমাত্র ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ থাকলেও অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসা চালু ছিল, এখনো রয়েছে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনেও ভিসা চালু ছিল। করোনা প্রকোপে চলতি বছর ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ থাকলেও এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩ লাখেরও বেশি ভিসা দেওয়া হয়েছে। তবে এই ভিসার বেশির ভাগই ছিল মেডিক্যাল ভিসা।


সড়ক পথে যেতে আগ্রহীদের অপেক্ষা করতে হবে


বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসায় ভারতে যারা যান, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ট্যুরিস্ট যান সড়ক পথে। তবে এখনই কেউ সড়ক পথে বা স্থলবন্দর দিয়ে ট্যুরিস্ট ভিসায় ভারতে যেতে পারবেন না। সড়ক পথে যেতে আগ্রহীদের আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ধীরে ধীরে সড়ক পথের জন্যও ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হবে।  



ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা আপডেট

ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা আপডেট

গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ

সম্প্রতি নোটিশ

দরপত্র আহ্বান

আইভিএসি বরিশাল অফিস স্থানন্তর

মেডিকেল ভিসা ছাড়াই ভারতে মেডিকেল চিকিৎসা

ভিসা আবেদন পত্র জমা দেয়ার পূর্ব শর্ত সমূহ

আন্তর্জাতিক ভ্রমণ কার্ড এবং ডলার অনুমোদন সুবিধা

ডলার এন্ডোরস এর জন্য নতুন নিয়ম প্রনয়ন

মেডিকেল ভিসা ধারকদের FRRO নিবন্ধন প্রয়োজন।

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রসমূহে অতিরিক্ত রুট অনুমোদন সেবা

অন্যান্য নোটিশ 

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিবন্ধন

ভারতে স্যাটেলাইট ফোন বহন নিষিদ্ধ

সরাসরি ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ম শিথিলকরণ

চিকিৎসা ভিসার নিয়মাবলী শিথিলকরণ

আইভিএসি, ময়মনসিংহের আওতায় এলাকা সমুহ\

ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা খরচ


করোনা কাঁটা পেরিয়ে ভারতে বেড়াতে আসতে চাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর। ১৫ নভেম্বর থেকে পর্যটক ভিসা (Indian Tourist Visa) দেওয়ার ঘোষণা করা হল। মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশের আখাউড়া চেকপোস্ট পেরনোর সময় সাংবাদিকদের একথা জানান সে দেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। তবে বাংলাদেশিদের ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে।


'দীর্ঘদিন ভুগেছি', আড়াই বছর পর ভারতের ভিসা পেয়েই উনিশের প্রচার বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ফিরদৌস


হাইকমিশনার দোরাইস্বামী জানান, মহামারীর মধ্যেও পর্যটক ভিসা চালু করছে ভারত। ফলে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি থাকবে। আপাতত ৩০ দিনের জন্য সিঙ্গল এন্ট্রি ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা। যাতায়াত করতে হবে বিমানে। স্থল ও রেলপথে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন না বাংলাদেশিরা। মানতে হবে করোনা সতর্কতা। ভারত সরকার আরোপিত শর্তপূরণ করলে তবেই মিলবে ভিসা। তবে শুধুমাত্র বাংলাদেশি নয়, কোনও দেশের পর্যটকই বর্তমানে বিমান ছাড়া অন্য কোনওভাবে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন না। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার আরও জানান, শীঘ্রই স্থল ও রেলপথে ভারতে প্রবেশেরও ছাড়পত্র মিলবে।


করোনার জেরে লাটে উঠেছে পর্যটন শিল্প। দেশের অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ পর্যটন ক্ষেত্রকে ‘বুস্টার ডোজ’ দিতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। গত জুনে মোদী সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে পর্যটক ভিসা দেওয়া হবে। প্রথম পাঁচ লাখ আবেদনকারী এই সুযোগ পাবেন বলেও ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি একটি তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। তা অনুযায়ী, পাঁচ লাখের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র ১৫ হাজার জন বিনামূল্যে ভিসা পেয়েছেন। পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট, কেন্দ্র বিদেশি পর্যটকদের আপ্যায়নে তৈরি হলেও ভিনদেশিরা এখনই ভারতে আসতে তেমন উৎসাহী নন। উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, একজন বিদেশি পর্যটক গড়ে ২১ দিন ভারতে থাকেন। প্রতিদিন খরচ করেন প্রায় ২৪০০ টাকা। যদিও হতাশ হওয়ার কোনও কারণ দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। বরং তাঁদের মত, কেন্দ্রের এই ইতিবাচক পদক্ষেপ ভবিষ্যতে ফল দেবে। করোনা পরিস্থিতিতে বিদেশি পর্যটকদের জন্য একাধিক কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র।


বাংলাদেশিদের জন্য 'টুরিস্ট ভিসা' ইস্যু করা শুরু করবে ভারত, সাংবাদিকদের এই কথা জানান সে দেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

করোনা আবহে ভারতে আসতে পারছিলেন না বাংলাদেশিরা। তবে দুই দেশেই সংক্রমণ কমায় ফের দুই দেশের সীমান্ত খুলে অবাধ যাতায়ত শুরু করতে পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। জানা গিয়েছে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসতে ইচ্ছুক পর্যটকদের 'টুরিস্ট ভিসা' ইস্যু করা শুরু করবে ভারত। আগামী ১৫ নভেম্বর থেকেই ভিসা দেওয়া শুরু হবে। বাংলাদেশ সীমান্তে আখাউড়া চেকপোস্টে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের এই কথা জানান সে দেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।


তবে বিক্রম দোরাইস্বামী জানান, ভারতে আসতে হলে বাংলাদেশি পর্যটকদের কিছু বিধিনিষেধ মানতে হবে। হাইকমিশনার জানান, আপাতত ৩০ দিনের জন্য সিঙ্গল এন্ট্রি ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা। তবে বিমানেই যাত্রা করা যাবে। বাসে করে স্থল সীমান্ত পার করে যাতায়ত করা যাবে না। তবে তিনি জানান, শীঘ্রই স্থল ও রেলপথেও ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন পর্যটকরা।


উল্লেখ্য, কোভিড আবহে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের পর্যটন শিল্প। সেই শিল্পকে ফের চাঙ্গা করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছিল ভারত। কেন্দ্র ঘোষণা করেছিল, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে পর্যটক ভিসা দেওয়া হবে প্রথম পাঁচ লক্ষ আবেদনকারীকে। সেই পাঁচ লক্ষের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র ১৫ হাজার জন বিনামূল্যে ভিসা পেয়েছেন। এই আবহে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দিলে ফের দেশের পর্যটন শিল্প কিছুটা চাঙ্গা হতে পারে বলে আশা।


অনলাইন ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশন

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের (আইভিএসি) ওয়েবসাইটে স্বাগতম।ভারতীয় ভিসা প্রার্থীদের (কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্ট ব্যতীত) কাছ থেকে ভারতীয় ভিসার আবেদনপত্র গ্রহণ এবং আবেদনকারীর কাছে প্রক্রিয়াকরণের পর পাসপোর্ট ফেরৎ দেয়ার জন্য আমরাই ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকার একমাত্র আউটসোর্স সংস্থা।



অনুগ্রহ করে লক্ষ্য করুন যে, প্রক্রিয়াকৃত পাসপোর্ট গ্রহণ এবং ফেরত প্রদানের ক্ষেত্রে আমাদের ভূমিকা নিরেট প্রশাসনিক প্রকৃতির এবং ভিসার আবেদনের ফলাফল বা প্রক্রিয়াকরণের উপর কোন প্রভাব বা তাৎপর্য নেই। এগুলো কেবলমাত্র ভারতীয় হাইকমিশনের প্রক্রিয়া এবং এ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত।



আবেদনকারীরা তাদের জমাকৃত আবেদনপত্র এবং প্রদানকৃত তথ্যের জন্য নিজেরাই একমাত্র দায়ী। তাদের ভিসার আবেদনের স্বপক্ষে কোন ভুয়া দলিল বা তথ্যের অন্যান্য মিথ্যা উপস্থাপনা ভারতীয় হাইকমিশন দ্বারা তাদের আবেদনের ফলাফলের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে বাধ্য হবে।



আবেদনকারীদের যথাযথ ভিসা হওয়ার পরই শুধুমাত্র ভারত ভ্রমন এর জন্য পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেয়া হল।



বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে ১৫টি ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র কেন্দ্র (আইভ্যাক) আছে। সেগুলো ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক ), যশোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বগুড়া, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা এ অবস্থিত।


সব ধরণের ভারতীয় ভিসা ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ ছাড়া গ্রহণ করা হয়।



বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী যারা চট্টগ্রাম বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ,  সিলেট বিভাগ, খুলনা বিভাগ ব্যতীত অন্যান্য বিভাগ বসবাস করছে, তারা আইভ্যাক, ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক ), আইভ্যাক, / আইভ্যাক, ময়মনসিংহ / আইভ্যাক, যশোর / আইভ্যাক, বরিশাল - এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। যেসব পাসপোর্টধারী চট্টগ্রাম বিভাগ এর বাসিন্দা কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া তারা আইভ্যাক, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। বাংলাদেশী নাগরিক, যারা রাজশাহী বিভাগে বাস করছে, তারা আইভ্যাক, রাজশাহী/ আইভ্যাক, রংপুর- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।

 


যারা সিলেট বিভাগে আওতাভুক্ত বসবাসকারী তারা সিলেট মিশন বরাবর আবেদন করবে।



যারা খুলনা জেলা আওতাভুক্ত বসবাসকারী তারা খুলনা মিশন বরাবর আবেদন করবে।



অন্যান্য বিদেশী নাগরিকরা আইভ্যাক, ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক ) এবং সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।



ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদেরও কোন ভিসা ফি প্রয়োজন নেই।


অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের ভিসা ফি দেওয়া প্রয়োজন যদি না তারা ভারত সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী ভিসা ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে অব্যাহতি পায়।


বাংলাদেশের যেকোন আইভ্যাক এ ভিসার জন্য আবেদন পত্র জমা দেয়ার আগেই আবেদনকারী সকল ব্যক্তিবর্গেরও ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) পরিশোধ করতে হবে।


পরিবারের যেকোনো সদস্যকে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের হয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার অনুমতি দেওয়া হয় আসল পাসপোর্ট দ্বারা শনাক্তকরণের প্রমাণ সাপেক্ষে। এই উদ্দেশ্যে পরিবার হল  স্ত্রী/স্বামী , সন্তান, ভাই, বোন এবং পিতামাতা।


আপনি বাংলাদেশের নাগরিক হয় সত্ত্বেও যদি আপনার কাছে বৈদেশিক পাসপোর্ট থাকে তবে বৈদেশিক পাসপোর্ট দ্বারা ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে 


আপনার ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান হতে পারে যদি আপনি জীবনের জন্য হুমকীসরূপ কোন রোগে ভোগেন।



মানসিক রোগে ভোগেন এবং চিকিৎসা ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করেন।


নিজে মাদকাসক্ত বা মাদক পাচার করেন।


অপরাধী বা কোন দেশে কোন অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন।


কোন দেশ হতে দ্বীপান্তুরিত বা বহিষ্কৃত হয়ে থাকেন।


অপর্যাপ্ত/ অসম্পূর্ণ/ মিথ্যা কাগজপত্র দিয়ে থাকেন।


অবৈধ ভ্রমণ নথির অধিকারী হয়ে থাকেন।


প্রাসঙ্গিক কোন তথ্য গোপন করে থাকেন।


অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে এমন কোন ভিত্তিতে, যা আবেদনকারীকে ভিসার 


জন্য অযোগ্য হিসাবে পেশ করবে, যার কারণ আবেদনকারীর কাছে মৌখিকভাবে 


বা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করে জানানো হবে, এমন কোন কথা নেই।


Post a Comment (0)
Previous Post Next Post