পর্তুগাল কাজের ভিসার জন্য অনলাইন আবেদন কিভাবে করতে হয়

আপনারা যারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চান অথবা ভ্রমণের উদ্দেশ্য যেতে চান। তারা হয়ত অনেক সময় অনেক দেশের খোঁজখবর নিতে চান, যে দেশের জন্য ভালো হয় সেই দেশে চলে যান। 


তাই আপনারা যারা পর্তুগাল কাজের ভিসার আবেদন অনলাইন করতে চান তারা হয়তো জানেন না এটা কিভাবে করতে হয়। তাই আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনি পর্তুগাল কাজের ভিসার জন্য আবেদন করবেন। 


তাই আশা করব আপনারা খুব সহজেই বুঝতে সক্ষম হবেন তবে আমার এই আর্টিকেলটি আপনাদের সম্পুর্ন পড়তে হবে। এবং বুঝে তারপরে আবেদন করতে হবে তাহলে চলুন আর বেশি কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের এই আর্টিকেলটি। 


পর্তুগালে কাজের ভিসা অনলাইনে আবেদন


পর্তুগাল কাজের ভিসা আবেদন করতে হলে নির্ধারিত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হয় এই সমস্ত কাগজপত্র অনুযায়ী ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে, এবং কি কি কাগজপত্র লাগবে তা আমি নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলাম। 

১/ 6 মাস মেয়াদি পাসপোর্ট 

২/ এনআইডি কার্ডের ফটোকপি

৩/ ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ফটোকপি।   

৪/ কৃষি কাজের দক্ষতা এর একটি সার্টিফিকেট।  

৫/ পূর্বে কাজ করার কোন অভিজ্ঞতা থাকলে এর একটি ফটোকপি। 

৬/ পূর্বে কোথাও ট্রাভেল করেছেন তার প্রমাণ থাকলে এর কাগজপত্র। 


পর্তুগাল কাজের ভিসা কত খরচ হয়


স্থানীয় সংস্থার মাধ্যমে পর্তুগালে কাজের ভিসার খরচ হতে পারে 10 থেকে 12 লক্ষ টাকার মতো, পর্তুগালের যদি আপনার কোন আত্মীয় থাকে। সে ক্ষেত্রে যদি আপনি কাজের জন্য ইনভাইটেশন পান তাহলে আপনি খুব সহজেই চাকরি পেয়ে যাবেন, এবং আপনার খরচ কিছুটা কমে যাবে। 


তাছাড়া আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন সেই দেশের গভমেন্ট সাইট গুলো এবং জব সাইট গুলোতে খুব সহজে আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এবং সেখানে আপনার সিবিটি দেওয়ার পরে তারা আপনার ই-মেইলের এবং ফোন নাম্বার অনুযায়ী আপনাকে জানিয়ে দেবে।  এছাড়াও আপনার ভিসা প্রসেস তারাই করে দিবে এটার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ভিসা পেয়ে যাবেন।


আপনারা যদি অনলাইনের মাধ্যমে কাজের ভিসা আবেদন করতে চান তাহলে খুব সহজেই আবেদন করতে পারবেন, এই লিংকে গিয়ে আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন লিঙ্কটির জন্য খানে ক্লিক করুন ......


আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরির উপরে আবেদন করতে পারবেন এটা আপনার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ওই সমস্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে, আপনার সিভি তৈরি করে সাবমিট করবেন এবং সিভিতে বিস্তারিত ভাবে সুন্দরভাবে আপনার বিষয়টি বা দক্ষতা তুলে ধরবেন। 


তাহলে আপনাকে খুব সহজেই তারা ভিসা দিতে রাজি হবে এটাই একমাত্র উপায় যেখান থেকে আপনি খুব সহজে পর্তুগাল কাজের ভিসা পেতে পারেন। তাই আপনি যেকোনো একটি কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করে খুব সহজে ভিসা পেয়ে যান এর জন্য আপনাকে যেকোন একটি কাজের উপরে খুব দক্ষতা অর্জন করতে হবে। 


এছাড়াও গত মাসের 14 তারিখে বাংলাদেশের ভিসার আবেদন কেবলমাত্র অনলাইনে করা হয়েছে 14 তারিখ থেকে হাতে লেখা অনলাইনে আবেদন গ্রহণ হবে না। বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার কমিশন জানিয়েছে গত এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ভিসা আবেদন করা যাবে। 


এখানে বিস্তারিত তথ্য মিলে মিলে যাবে ডেপুটি হাইকমিশনার আরো কিছু তথ্য দিয়েছেন সেগুলো হল, যে অনলাইনে ভিসা বার করার পর হাতে স্বাক্ষর করে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার সময় সকাল 9 টা থেকে বেলা 11 টার ভিতরে, এছাড়া আরো জমা দিতে হবে পাসপোর্ট, দুই কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, এছাড়া অন্যান্য কাগজপত্র। 


অনলাইনে আবেদনের সময় নির্দিষ্ট মাপের ফটো প্রয়োজন হবে আবেদন অনলাইনে কিভাবে করবেন।  এর বিস্তারিত তথ্য আজকের মতো এতোটুকুই আশা করব আপনারা এখান থেকে কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছেন, তাই সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন। 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post