মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয়

প্রিয় পাঠক আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয়। কেননা বিভিন্ন দেশ থেকে মিশরে যে থাকে, কারণ মিশর একটি ঐতিহাসিক দেশ যেখানে বিভিন্ন পুরনো স্মৃতি রয়ে গেছে। এজন্য মিশরে বিভিন্ন ভিসায় যে থাকে যেমন মিশর পারমিট ভিসা, মিশর টুরিস্ট ভিসা, মিশর স্টুডেন্ট ভিসা, এরকম ভিসায় যে থাকে। 

কিন্তু আমি আজকে এখানে আলোচনা করব মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয় এ সম্পর্কে, কেননা মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয় এটা অনেকেই জানেনা। আর যারা জানেন তারা নতুন করে জেনে নিলে খুবই ভালো হয়, কেননা একটি ভুলের কারণে আপনার অনেকদিনের পরিশ্রম এবং বিপুল অংকের টাকার ক্ষতি হতে পারে। এইজন্য আপনারা যদি আগে থেকে জেনে নিয়েন কিভাবে মিশরের ভিসা করতে হয়, তাহলে খুবই ভালো হয়। তাহলে চলুন আজকে আমরা জেনে নেই মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয় এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। 

মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয়


মিশরের ভিসা করতে হলে

আপনাকে মিশরের ভিসা করতে হলে প্রথমে আপনাকে যেগুলো করতে হবে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে, এবং এই কাগজপত্রগুলো আপনাকে জোগাড় করে সাবমিট করতে হবে।  তাহলে জেনে নেই মিশরে ভিসা করার জন্য কোন কাগজপত্র প্রয়োজন। 

এক নম্বরে রয়েছে পাসপোর্ট আপনার পাসপোর্ট এর নিম্নতম ছয় মাসের বৈধতা থাকতে হবে, অর্থাৎ এক্সপায়ারি ডেট তারিখ 6 মাস পূর্বের বৈধতা আছে। এরকম একটি পাসপোর্ট লাগবে এবং পাসপোর্ট এর নিম্নতম দুটি ফাঁকা থাকতে হবে, আপনার সমস্ত পুরনো পাসপোর্ট একত্রে করুন যদি থাকে। 

আরো পড়ুন

অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসা কিভাবে করবেন // How to get Australia Visit Visa

দুই মিশরের ভিসা আবেদন পত্র ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে, এবং আবেদনকারীকে নিজের মিশরের ফরমের স্বাক্ষর করতে হবে। 

তিন নাম্বার পেন ফটো অর্থাৎ ম্যাট বা সেমি ম্যাট ফিনিশ সহ দুটি স্ট্যাম্প আর দুটি পাসপোর্ট আকারের ছবি সাত ভাই 80 পার্সেন্ট কভারেজ সাদা। অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা বর্ডার ছাড়া এই ছবির আকার 35mm গুন 45mm থাকতে হবে। অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন ফটোগ্রাফি তিন মাসের বেশি পুরনো হওয়া উচিত নয় স্ক্যান করা স্টেপলার করা উচিত নয় এবং আগের বিষয়গুলির কোনোটিতে ব্যবহার করা হয়েছে এমন কোন ছবি দিবেন না। 

আরো পড়ুন

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র

4 নাম্বার মিশর ভিসা করার জন্য কভারিং লেটার অর্থাৎ আবেদনকারীর নাম পদবী পাসপোর্ট নাম্বার উদ্দেশ্য এবং কোথায় কোনখানে যাবেন। এ সম্পর্কে খরচ বাসস্থান খরচ ইত্যাদির জন্য কারা দায়ী থাকবেন তার উপরে কভার লেটার সম্বোধন করতে হবে। 

পাঁচ নাম্বারে আমন্ত্রণ পত্র যদি থাকে অর্থাৎ আপনার যদি কোন আত্মীয়-স্বজন মিশরে আগের থেকে থাকে তারা যদি আপনাকে আমন্ত্রণ করে এর লেটার থাকতে হবে। 

6 নাম্বারে রয়েছে ফরওয়ার্ডিং লেটার অর্থাৎ কম্পানি লেটার আবেদনকারীর কম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফরওয়ার্ডিং লেটার। এন ও সি যেখানে আবেদনকারীর নাম পদবী পাসপোর্ট নাম্বার উদ্দেশ্য এবং পরিবর্তনের সহ এসব কিছু থাকতে হবে। 

সাত নম্বরে রয়েছে পেশার প্রমাণ অর্থাৎ কোম্পানির নিবন্ধন শংসাপত্র মৃত ইংরেজি অনুবাদ এবং আসল ফটোকপি। যদি আবেদনকারীর প্রথমবারের মতো যে থাকে বা মালিক হন অফিস আইডি কার্ডের ফটোকপি ও ভিজিটিং কার্ড।

মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয়

 

আট নম্বরে রয়েছে আর্থিক অর্থাৎ মিশরে যেতে হলে আপনাকে গত ছয় মাসের কোম্পানির বা ব্যক্তিগত ব্যাংক স্টেটমেন্ট। ব্যাংকের নাম ব্যাংকের টেলিফোন নাম্বার সফটওয়্যার উল্লেখ করতে হবে গত ছয় মাস ধরে বেতন স্লিপ থাকে তাহলে। 

প্রিয় পাঠক মিশর ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করবেন এ সম্পর্কে আজকে এতোটুকুই, আপনারা যারা মিশর যেতে চান তারা আমার দেয়া এই টিপস গুলো ফলো করুন। কেননা মিশর যেতে হলে আপনাকে অবশ্যই এসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে, আর এসব কাগজপত্র নিয়ে আপনাকে মিশর দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে। 

অথবা আপনি অনলাইনের মাধ্যমেও মিশর দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এবং আপনার কাগজপত্রগুলো তাদের কাছে জমা দিয়ে পারেন। আপনি যে ভিসায় যেতে চান ওই ভিসা নিতে পারেন তবে মিশর যেতে কত টাকা লাগে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব অন্য আরেকটি পোষ্টের মাধ্যমে। 

আপনাদের সাথে আপনারা যদি মিশর যেতে কত টাকা লাগে এবিষয়ে জানতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন। প্রিয় পাঠক ওয়ার্কার ভিসা কিভাবে করতে হয় এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আজকের মতো এতোটুকুই সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post